২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে সর্বশেষ ৩য় ধাপে আবেদনের সিডিউল প্রসঙ্গে। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত বাদপড়া শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্নকরণ প্রসঙ্গে। অনিবার্য কারণবশত আগামী ১৫/১০/২০২৬ খ্রি. তারিখে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ‘নবীনবরণ’ -২০২৬ অনুষ্ঠান স্থগিত করা হলো। ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী ২১ অক্টোবর) ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. রবিবার থেকে ২৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. রবিবার পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ সংক্রান্ত। ১১শ ও ১২শ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী, প্রবারণা পূর্ণিমা ও শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজা উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. রবিবার থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ সংক্রান্ত।

সুবর্ণ জয়ন্তী কর্ণার

Video Gallery

Photo Gallery

পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

অস্থায়ী সরকার

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকার (যা মুজিবনগর সরকার বা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার নামেও পরিচিত) মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জনগনের রায়ে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গঠন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল এই সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) শপথ গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দেশের জনগণের প্রতিরোধযুদ্ধ শুরু হলেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুক্তিবাহিনী সংগঠন ও সমন্বয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায় এবং এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষ সহায়তাকারী রাষ্ট্র ভারতের সরকার ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক রক্ষায় এই সরকারের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এই সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ প্রবল যুদ্ধে রূপ নেয় এবং স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের বিজয় অর্জন ত্বরান্বিত হয়।

খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকার (যা মুজিবনগর সরকার বা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার নামেও পরিচিত) মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জনগনের রায়ে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গঠন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল এই সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) শপথ গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দেশের জনগণের প্রতিরোধযুদ্ধ শুরু হলেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুক্তিবাহিনী সংগঠন ও সমন্বয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায় এবং এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষ সহায়তাকারী রাষ্ট্র ভারতের সরকার ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক রক্ষায় এই সরকারের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এই সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ প্রবল যুদ্ধে রূপ নেয় এবং স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের বিজয় অর্জন ত্বরান্বিত হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ সাত জন

হামিদুর রহমান

কর্মস্থলঃ সেনাবাহিনী
জন্মঃ ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩
সেক্টরঃ ০৪
মৃত্যুঃ ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১ সাল

মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল

কর্মস্থলঃ সেনাবাহিনী
জন্মঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৭
সেক্টরঃ ০২
মৃত্যুঃ ৮ এপ্রিল, ১৯৭১ সাল

মোঃ রুহুল আমিন

কর্মস্থলঃ নৌবাহিনী
জন্মঃ ১৯৩৪ সাল
সেক্টরঃ ০৩
মৃত্যুঃ ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল

মুন্সী আব্দুর রউফ

কর্মস্থলঃ বিজিবি
জন্মঃ ১ মে, ১৯৪৩
সেক্টরঃ ০১
মৃত্যুঃ ২০ এপ্রিল, ১৯৭১ সাল

মতিউর রহমান

কর্মস্থলঃ বিমানবাহিনী
জন্মঃ ২৯ অক্টোবর, ১৯৪১
সেক্টরঃ জানা নাই
মৃত্যুঃ ২০ আগস্ট, ১৯৭১ সাল

নূর মোহাম্মদ শেখ

কর্মস্থলঃ বিজিবি
জন্মঃ ২৬ এপ্রিল, ১৯৩৬
সেক্টরঃ ০৮
মৃত্যুঃ ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সাল

মহিউদ্দিন জাহাংগীর

কর্মস্থলঃ সেনাবাহিনী
জন্মঃ ১৯৪৯ সাল
সেক্টরঃ ০৭
মৃত্যুঃ ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল